নওগাঁর আত্রাইয়ে বিপাকে কৃত্রিম ফুল ব্যাবসায়ীরা

0

নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা প্রভাবে বিপাকে পড়েছে কুঠির হস্তশিল্পের শতাধিক কাগজের তৈরি কৃত্রিম ফুল ব্যাবসায়ীরা। করোনা প্রভাবে ব্যাবসা বন্ধ থাকায় আভাব আনাটনে কাটছে দিন।

জানাগেছে কৃত্রিম ফুল ভান্ডার খ্যাত, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের জাম গ্রামের আধিকাংশ নারী পুরুষ কাগজের ফুল তৈরি ও বিক্রি পেশার সাথে সাথে জড়িত। তাদের পরিবারের একমাত্র প্রধান আয়ের উৎস এই ফুল ব্যাবসা। কিন্তু করোনার ভয়াল ছোবলে। তাদের ব্যাবসা প্রায় বন্ধের পথে। এতে করে চরম প্রভাব পড়েছে তাদের ধারাবাহিক জন জীবনে।

প্রায় তিন মাস যাবৎ দেশের কোথাও কোন আঞ্চলে তারা তাদের তৈরি ফুল নিয়ে যেতে না পারায় বিপাকে পড়েছে ঐ গ্রামের শতাধিক ফুল ব্যাবসায়ী।আর্থাভাবে সংকটময় পরিস্থিতি তে কোন রকমে কাটছে তাদের দিন। এমন পরিস্থিতিতে আনেক কারিগর এ পেশা ছেড়ে আন্য পেশায় যোগ দিচ্ছে।

এমন অবস্থা চলতে থাকলে, ভবিষৎ সংকটে পড়বে এই সৌখিন এই কুঠির হস্ত শিল্প বলে মনে করছেন এই ব্যাবসা সংশ্লিষ্টরা ।

এলাকারর বেশ কয়েকজন প্রবীণ ফুল ব্যাবসায়ী বলেন । একসময় এই কৃত্রিম কাগজের ফুল শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশেষ করে( মালাকর) বলা হয়ে থাকে তারা এই ব্যাবসার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে জীবন জীবিকা নির্বাহে ধর্ম বর্ন নির্বিশেষ এই স্বল্প পুঁজির সৌখিন পেশায় তাদের আত্মনিয়গ করে উপার্জনের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে বলে জানিয়ছেন প্রবীণ বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ী রা। তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পুরুষের পাশাপাশি নারী রা এই কাজে সার্বিক সহোযোগিতা করে থাকেন। নারীরা ফুল তৈরি করে সংসারে বাড়তি আয় করে থাকেন।

পুরুষেরা তা দেশের বিভিন্ন শহর আঞ্চলে ও গ্রামে গঞ্জে তাদের তৈরি বাহারি রংয়ের সৌখিন কৃত্রিম কাগজের তৈরি ফুল বিক্রি করে অর্থ উপর্জন করে থাকেন।

কিন্তু বর্তমান করোনা সৃষ্ট মহামরী পরিস্থিতি তে দেশের কোথাও কোন আঞ্চলে যেতে না পারায়। থুবরে পড়েছে তাদের বানিজ্যিক ব্যাবস্থা। অভাব অনাটন দেখা দিয়েছে তাদের সংসারে। হতাশা আর আশান্তি তে কাটছে তাদের বর্তমান সময়।

এমন সংকটময় পরিস্থিতি তে সরকারের সহোযোগিতা একান্ত ভাবে কামনা করেন এই ক্ষুদ্র কুঠির হস্ত শিল্প ব্যাবসায়ীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here