দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে একদিনে মৃত্যু ৩৪ সুস্থ ১৩৭৩

শতাব্দীর ভয়াবহ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি মহামারি করোনা ভাইরাসকে অনেকটা সাথী করে নিয়ে পথ চলতে শুরু করেছেন বিশ্বের সবকটি দেশের মানুষ। জীবন আর জিবিকার চাকা সচল রাখতে দেশগুলোর সরকারও তেমন পদক্ষেপ নিয়ে এ সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বাংলাদেশেও তেমনি পরিস্থিতি।
আজ ১৮ জুলাই শনিবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিনের মতো অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে দেশের সর্বশেষ তথ্য জানান অধিদপ্তরটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাঃ নাসিমা সুলতানা।
ডাঃ নাসিমা সুলতানা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে ৮০ টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ হাজার ৬৩২ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ৯২৩ টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৪ টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৭০৯ জনের মধ্যে। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ২ হাজার ৬৬ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো দুই হাজার ২৫৮১ জনের পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ১৩৭৩ জন মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৯৮ জন।
বুলেটিনে ডা. নাসিমা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২৪.৮০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪.৪৯ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ। আজ মৃতদের লিঙ্গ বিভাজনে পুরুষ ২৯ নারী ৫ জন।
এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের আজ শনিবার দুপুর ২ ঘটিকা পর্যন্ত পদর্শিত তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের এক কোটি ৪২ লাখ ১ হাজার ৯৩০ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৫১ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫৯ হাজার ৮৫৭ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। এপর্যন্ত সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৮৪ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৭।এপর্যন্ত করোনায় কেড়ে নিয়েছে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৫৮২ জন মানুষের প্রাণ।
প্রসঙ্গত,গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।