চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় শোক দিবস পালন

মোহাম্মদ হাসানঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্দোগে শোক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৫ আগস্ট শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলা কমপ্লেক্সের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে একটি শোক র্যালি মীরসরাই সদর পদক্ষিন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন এর সভাপতিত্বে শোক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান এম আলা উদ্দিন, ইসমত আরা ফেন্সি, মীরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কবির আহাম্মদ, বীর মুক্তিযুদ্ধা সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আক্রমী, চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব প্রমূখ।
এসময় বক্তাগণ বলেন, আজ রক্তাক্ত ১৫ আগস্ট। বাঙালির জীবনে সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক দিন আজ। ১৯৭৫ সালের এই কালরাতে বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্য। তাদের নির্মম বুলেটে সেদিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে শাহাদতবরণ করেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষটিকে সপরিবারে হত্যার পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশ ছিল তিমিরাচ্ছন্ন। দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব গ্রহণ করে স্বাধীনতার শত্রুরা। তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে আশ্রয়-প্রশ্রয় পায় বঙ্গবন্ধুর খুনিরা। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স’ জারি করেন। পরে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন দেন।
জাতীয় শোক দিবসকে শক্তিতে রুপান্তরিত করে দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে উন্নত সমৃদ্ধ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ্।