জিয়া সংবিধান লঙ্ঘন করেছিলেন তার স্ত্রী স্বাধীনতার চেতনাকে লুণ্ঠিত করেছিলেন-প্রধানমন্ত্রী

মোহাম্মদ হাসানঃ জিয়াঊর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করেছিলেন এবং তার স্ত্রী ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতার চেতনাকে লুণ্ঠিত করেছিলেন বলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ ১৬ আগস্ট রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় ভিডিও কনফারেন্সে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের খুনিরাই জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্পষ্ট করে গেছেন। জিয়াঊর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করেছিলেন এবং তার স্ত্রী ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতার চেতনাকে লুণ্ঠিত করেছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার স্বপ্নই ছিল মানুষ অন্ন পাবে, বস্ত্র পাবে, উন্নত জীবন পাবে। সেই উন্নত জীবন দেবার জন্য যা যা করণীয় আমরা তা করব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তো ১৯৭৫ এর পর থেকে অশুভ শক্তি দ্বারা নিগৃহীত, নির্যাতিত ছিলাম। শুধু আওয়ামী সরকারের আসার পর থেকে মানুষ আস্থা ফিরে পেয়েছে। বাঁচার জন্য নতুন আশা পেয়েছে। সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের মানুষের ভেতর আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরে এসেছে। মানুষ ইতিহাসকে আবার খুঁজে পেয়েছে। যে নামটা মুছে ফেলা হয়েছিল আজকে আন্তর্জাতিকভাবে সেই নাম স্বীকৃত। ৭ মার্চের ভাষণ এই দেশে নিষিদ্ধ ছিল, আজকে আন্তর্জাতিক প্রামাণ্য দলিলে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্থান পেয়েছে।
তিনি বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের লক্ষ্য সারাদেশে যেমন বৃক্ষ রোপণ করা, রক্তদান কর্মসূচি, তেমনি দেশের একটি মানুষও গৃহ হারা থাকবে না। এবার বন্যায় অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, নদী ভাঙনে আক্রান্ত তাদের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছি। একটি মানুষও যেন গৃহ হারা না থাকে সেভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। যা যা করার আমরা করে যাব। জাতির পিতার স্বপ্নই ছিল মানুষ অন্ন পাবে, বস্ত্র পাবে, উন্নত জীবন পাবে। সেই উন্নত জীবন দেবার জন্য যা যা করনীয় আমরা তা করব।
করোনার সময়ে আওয়ামী লীগ অসহায়দের পাশে দাঁড়ালেও, অন্য কোনো দলকে মাঠে দেখা যায় নি বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
পরিশেষে তিনি বলেন, আজকের এই দিনে এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা “পিতা তোমার কথা দিলাম তোমার বাংলার দু:খী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবো, বাংলা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলবে। বাংলার মানুষ উন্নত জীবন পাবে, এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা, এটাই আমাদের শপথ।