খনিজ সংক্রান্ত চীনা প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সংস্থাটির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি প্রস্তাব দেওয়ার বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্বের রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করতে প্রস্তুত। এই অংশীদারত্বের মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তির জন্য অপরিহার্য খনিজ সম্পদগুলোর জন্য চীনের ওপর নির্ভর না করা। পাশাপাশি যৌথভাবে বিকল্প উৎস খুঁজে বের করা।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ উভয়ই চীনা খনিজের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর বেইজিং একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়ে এতে কয়েকটি উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকটিতে ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে খনিজ সম্পদের যৌথ প্রকল্প এবং মূল্য ব্যবস্থার সম্ভাবনা যাচাইয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, অংশীদার দেশগুলো পরস্পরের কৌশলগত অঞ্চলের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখাবে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিরল খনিজের উৎসের জন্য ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রাধীন গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরের মাসেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপের খনিজের অংশীদারত্ব সংক্রান্ত চুক্তির প্রস্তাব সামনে এলো। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার বেশ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। এটিরও মূল লক্ষ্য চীনা খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরতা কমানোর চুক্তি করা।